Install our QSH India App. Less than 2 MB.

বিমলার অভিমান কবিতা পাঠ সারাংশ ও ক্যুইজ

নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের “বিমলার অভিমান” কবিতাটি একটি শিশুর সরল মনের প্রতিবাদের এক অসাধারণ প্রতিচ্ছবি। কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র, বিমলা নামের এক ছোটো মেয়ে, যার অভিমান বা মনঃকষ্টের কারণ হলো তার পরিবারে লিঙ্গ এবং বয়সের ভিত্তিতে হওয়া বৈষম্য।

বিমলার অভিমান কবিতা পাঠ ও ব্যাখ্যা

Total Questions: 21

Total Marks: 29

Total Slides: 4

Rate this Quiz

Average Rating: 0 / 5 (0 votes)

Click on a star to rate:

সারাদিন ধরে বিমলাকেই বাড়ির যাবতীয় ছোট-বড় কাজ করতে হয়। পূজার জন্য ফুল আনা , ছোট ভাই কাঁদলে তাকে সামলানো , ছাগলকে বাগান থেকে তাড়ানো , বা দাদার খাওয়ার সময় নুন-চুন এগিয়ে দেওয়া —সব ফরমায়েশ তাকেই পালন করতে হয় । সে যেন বাড়ির সবার প্রয়োজনের খেয়াল রাখার একমাত্র দায়িত্বে রয়েছে।

নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের "বিমলার অভিমান"

কিন্তু যখন খাবার ভাগাভাগির সময় আসে, বিশেষ করে যখন ক্ষীরের মতো সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়, তখন তার প্রতি চরম অবিচার করা হয়। তার বড় দাদা এবং ছোট ভাই অবনী বেশি বেশি ক্ষীর পায় , কিন্তু বিমলার ভাগে জোটে নামমাত্র । এই বৈষম্য তার শিশুমনকে গভীরভাবে আঘাত করে। সে নিজেকে “দু ধারে সোনার চুড়ো, মাঝেতে ছাইয়ের নুড়ো”-র মতো মূল্যহীন মনে করে।

এই অবিচারের বিরুদ্ধেই তার নীরব প্রতিবাদ হলো “খাব না তো আমি!” —এই উক্তি। খাওয়ার জিনিস প্রত্যাখ্যান করার মাধ্যমে সে তার দুঃখ, অপমান এবং অভিমানকে প্রকাশ করে। কবিতাটি সহজ ভাষায় একটি শিশুর দৃষ্টিকোণ থেকে পারিবারিক বৈষম্যের মতো একটি गंभीर সামাজিক বিষয়কে তুলে ধরেছে, যা পাঠকদের সহানুভূতি জাগিয়ে তোলে।

Share this:

Leave a Comment

×

Available Courses

ASK