Install our QSH India App. Less than 2 MB.

মৈত্রেয়ী দেবীর ‘ঝড়’ কবিতাটির সারসংক্ষেপ, প্রশ্ন উত্তর ও কুইজ

মৈত্রেয়ী দেবীর লেখা ঝড় কবিতাটি এখানে পাঠ করে দেওয়া হল, সঙ্গে ব্যাখা, প্রশ্ন উত্তরে ক্যুইজ ও দেওয়া হয়েছে যা তোমাদের খুব ভালো লাগবে । আর তার সঙ্গে সঙ্গে কবিতাটির বিষদ বিবরণও দেওয়া হয়েছে যাতে তোমরা এই কবিতা থেকে সকল প্রশ্নের উত্তরও দিতে পারো ।

ঝড়: শিশুর চোখে এক কালবৈশাখী

ছাত্রছাত্রীরা, আজ আমরা এমন একটি সুন্দর কবিতা পড়ব, যা আমাদের সবারই খুব চেনা এক অভিজ্ঞতার কথা বলে। কবিতাটির নাম ‘ঝড়’ এবং এটি লিখেছেন কবি মৈত্রেয়ী দেবী। তোমরা নিশ্চয়ই খেলতে খেলতে হঠাৎ আকাশে ঘন কালো মেঘ জমতে দেখেছ? আর তারপরই শুরু হয় তুমুল ঝড়! আমাদের এই কবিতার ছোট্ট বন্ধুটিও ঠিক এমনই এক ঝড়ের মধ্যে পড়েছিল। সে তার মা-কে সেই ঝড়ের গল্প শোনাচ্ছে।

কবিতাটি শুরু হয় খুব সহজভাবে। একটি শিশু দুপুরবেলা মাঠের ধারে খেলতে গিয়েছিল। আর তখনই হঠাৎ করে এলোমেলো বাতাস দিয়ে শুরু হয় এক ভয়ঙ্কর ঝড়। চারদিক অন্ধকারে ঢেকে যায়, সবাই ভয় পেয়ে ঘরের দিকে ছুটতে থাকে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই ঝড়কে দেখে শিশুটি শুধু ভয়ই পায়নি, তার কচি মনে জন্ম নিয়েছে নানা অদ্ভুত ও সুন্দর কল্পনা।

কবির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো, তিনি এই ভয়ঙ্কর ঝড়কে একটি শিশুর নিষ্পাপ চোখের দৃষ্টি দিয়ে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। শিশুটির মনে হয়েছে, ঝড় যেন এক দুষ্টু ছেলে, যে কালিদানিতে থাকা কালি হঠাৎ করে আকাশে ঢেলে দিয়েছে! আবার বিদ্যুতের ঝলকানিকে তার মনে হয়েছে সেই দুষ্টু ছেলের আগুন-জ্বলা হাসি। এই অসাধারণ কল্পনার কথাই আমরা কবিতায় পড়ব। চলো, কবিতাটা আরও ভালোভাবে বুঝি। আর হ্যাঁ, তোমাদের জন্য শেষে একটি কুইজ এবং প্রতিটি লাইনের ব্যাখ্যাসহ একটি নলেজ স্লাইডও রয়েছে!

Slow
মৈত্রেয়ী দেবীর ‘ঝড়’ কবিতাটির সারসংক্ষেপ, প্রশ্ন উত্তর ও কুইজ

Total Slides: 4

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (2 votes)

Click on a star to rate:

Slow
মৈত্রেয়ী দেবীর 'ঝড়' কবিতাটির কুইজ

Total Questions: 22 | Total Marks: 30

Leaderboard (Last 30 Days)

Loading...

কবিতার মূলভাব: ভয় ও কল্পনার মেলবন্ধন

মৈত্রেয়ী দেবীর ‘ঝড়’ কবিতাটির মূলভাব হলো, প্রকৃতির রুদ্র রূপ বা ভয়ঙ্কর দৃশ্যও একটি শিশুর চোখে কীভাবে সহজ, সুন্দর ও কল্পনাপ্রবণ হয়ে উঠতে পারে, তা তুলে ধরা। কবিতাটি এক শিশুর জবানিতে তার মায়ের কাছে বলা একটি ঝড়ের অভিজ্ঞতা। এখানে ঝড়ের ভয়াবহতা এবং শিশুর সরল কল্পনা একসঙ্গে মিশে গেছে।

কবিতার শুরুতে আমরা ঝড়ের আকস্মিক আগমন এবং তার ফলে প্রকৃতির পরিবর্তন ও মানুষের ছোটাছুটির এক বাস্তব চিত্র দেখতে পাই। চারদিক কালো হয়ে যাওয়া, বকুলতলা ও চাঁপার বনের অন্ধকার রূপ—এগুলো ঝড়ের ভয়ঙ্কর দিকটিকেই তুলে ধরে। শিশুটির মনেও যে ভয় কাজ করছে, তা “কেমন জানি করল আমার মন” এই লাইনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

কিন্তু পরক্ষণেই শিশুটির মন ভয়কে ছাপিয়ে কল্পনার জগতে চলে যায়। সে এই বিশাল ঝড়কে একটি ‘কাদের যেন ছেলে’-র সঙ্গে তুলনা করে। তার মনে হয়, সেই দুষ্টু ছেলেটি যেন কালির দোয়াত উল্টে দিয়ে আকাশটাকে কালো করে দিয়েছে, ঠিক যেমন সে নিজে মায়ের ঘরের মেঝেতে কালি ঢেলে দেয়। আকাশের বিদ্যুৎ চমকানোকে তার মনে হয় সেই ছেলের ‘আগুন জ্বেলে’ দেওয়া হাসি আর মেঘের গর্জনকে মনে হয় তার বারে বারে চিৎকার। শেষে, ঝড় থেমে যাওয়াকে তার মনে হয়, দুষ্টু ছেলেটির খেলা শেষ করে ‘সাত সাগরের পারে’ পালিয়ে যাওয়া। এভাবেই এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক ঘটনা এক শিশুর চোখে দুষ্টুমিভরা খেলায় পরিণত হয়।

আশা করি তোমরা কবিতার মূলভাবটি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছ। এবার নিচের কুইজে অংশ নিয়ে নিজের জ্ঞান যাচাই করে নাও এবং কমেন্টে জানাতে ভুলো না তোমাদের কেমন লাগল!

Share this:

Leave a Comment

×
All Subjects
    ASK