Install our QSH India App. Less than 2 MB.

মাঠ মানে ছুট কবিতা পাঠ, ক্যুইজ সারমর্ম ও প্রশ্ন- উত্তর

কবি কার্ত্তিক ঘোষ এর লেখা বিখ্যাত কবিতা মাঠ মানে ছুট এর পাঠ, অর্থ, ব্যাখ্যা, ও ক্যুইজ দিয়ে সাজানো আজকের প্রতিবেদন।
ছাত্রছাত্রীরা, আজ আমরা এমন একটি কবিতা পড়ব যা শুনলেই তোমাদের মন খুশিতে নেচে উঠবে আর পায়ে দৌড়ানোর ইচ্ছে জাগবে! কবিতাটির নাম “মাঠ মানে ছুট” আর এটি লিখেছেন কবি কার্তিক ঘোষ। ‘মাঠ’ আর ‘ছুট’—এই দুটো শব্দ শুনলে তোমাদের কী মনে হয়? নিশ্চয়ই খেলাধুলা, মজা, ছুটি আর অফুরন্ত আনন্দের কথা মনে আসে, তাই না? কবিও ঠিক সেখান থেকেই কবিতাটি শুরু করেছেন।

মাঠ মানে ছুট: জীবনের এক নতুন ঠিকানা

কবিতার প্রথমে কবি আমাদেরই মতো করে প্রশ্ন করছেন—মাঠ মানে কি শুধুই মজা, ছুটি, হাসি আর লুটোপুটি? কিন্তু তারপর তিনিই ধীরে ধীরে আমাদের এই শব্দগুলোর এক গভীর অর্থের জগতে নিয়ে যান। তিনি দেখান যে মাঠ মানে শুধু খেলার জায়গা নয়, মাঠ হলো সবুজ প্রাণের প্রতীক, এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। মাঠ হলো জীবনের মতো বিশাল, যেখানে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখি আর বেড়ে উঠি।

একইভাবে, ‘ছুট’ মানে শুধু দৌড়ানো নয়। ছোটার সাথে জড়িয়ে আছে আশা, সাহস, মুক্তি আর বাঁচার আনন্দ। কবি একটি ছোট্ট পাখির খাঁচা ভেঙে বেরিয়ে আসার সঙ্গে ছোটার তুলনা করেছেন। এই কবিতার মাধ্যমে আমরা শিখব যে, মাঠ আর ছুট—এই দুটি শব্দ আমাদের জীবনকে এক নতুন ও ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে শেখায়। চলো, কবিতাটি গভীরে গিয়ে পড়া যাক। আর হ্যাঁ, তোমাদের জন্য শেষে একটি মজার কুইজ এবং প্রতিটি শব্দের অর্থসহ একটি নলেজ স্লাইডও রয়েছে!

Total Questions: 22

Total Marks: 30

Total Slides: 8

Rate this Quiz

Average Rating: 0 / 5 (0 votes)

Click on a star to rate:

কবিতার মূলভাব: মাঠ ও জীবনের মেলবন্ধন

“মাঠ মানে ছুট” কবিতায় কবি কার্তিক ঘোষ ‘মাঠ’ এবং ‘ছুট’—এই দুটি সাধারণ শব্দকে অসাধারণ ব্যঞ্জনা দিয়েছেন। কবিতার মূলভাব হলো, মাঠ শুধুমাত্র খেলা বা ছুটির প্রতীক নয়, বরং এটি জীবন, প্রাণশক্তি এবং অনন্ত সম্ভাবনার প্রতীক। একইভাবে, ছুট শুধু শারীরিক গতি নয়, এটি মানসিক অগ্রগতি, সাহস এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষা।

প্রথম অংশে কবি一প্রশ্নের মাধ্যমে মাঠ সম্পর্কে আমাদের সাধারণ ধারণাগুলো তুলে ধরেন—যেমন মজা, হল্লা, লুটোপুটি ইত্যাদি। কিন্তু তারপরই তিনি এর আসল পরিচয়ে আসেন। তাঁর মতে, মাঠ হলো “সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দীপ”। এখানে ‘সবুজ’ হলো প্রাণের প্রতীক এবং ‘শাশ্বত দীপ’ হলো চিরন্তন আশার আলো। মাঠ আমাদের শুধু খেলতে শেখায় না, এগিয়ে যেতেও শেখায়।

কবিতার দ্বিতীয় অংশে কবি ‘ছুট’ বা দৌড়ানোর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেছেন। ছুট মানে শুধু আশা বা সাহস নয়, এটি হলো “শক্ত পায়ের পোক্ত কোন ভাষা”—অর্থাৎ আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার প্রকাশ। কবি ছুটকে খাঁচা ভাঙা পাখির মুক্তির আনন্দের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বুঝিয়েছেন যে, ছুটে চলা মানে সমস্ত বাধা-বিপত্তিকে পেরিয়ে জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়া। জীবনের সাতটি সমুদ্রের ঢেউকে ডেকে আনার ক্ষমতা রাখে এই ‘ছুট’। পরিশেষে, কবি বলেছেন, ছোটার আসল মানে হল জীবন এবং সোনা অর্থাৎ মূল্যবান সম্পদ। এর প্রকৃত অর্থ বুঝতে হলে, আমাদের নিজেদেরকেই জীবনের পথে ছুটে চলতে হবে।

আশা করি তোমরা কবিতার মূলভাব বুঝতে পেরেছ। কুইজে অংশ নাও এবং কমেন্ট করে আমাদের জানাও তোমার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল!

Share this:

Leave a Comment

×

Available Courses

ASK