Install our QSH India App. Less than 2 MB.

পাখির কাছে ফুলের কাছে কবিতা পাঠ, ব্যাখ্যা ও ক্যুইজ

সবাইকে স্বাগত!পঞ্চম শ্রেণির আরও একটি কবিতা নিয়ে হাজির হয়েছি। আজ আমরা একজন বিখ্যাত কবির লেখা একটি খুব সুন্দর কবিতা পড়তে চলেছি, যার নাম “পাখির কাছে ফুলের কাছে”। কবিতাটি লিখেছেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আল মাহমুদ। তোমরা কি কখনও গভীর রাতে জেগে উঠে চারপাশের নিস্তব্ধ শহরটাকে দেখেছ? যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, তখন এই চেনা শহরটাকেও কেমন যেন অচেনা আর রহস্যময় লাগে। আমাদের কবিও ঠিক এমনই এক রাতে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন। এই কবিতাটি নীচে পাঠ করে দেওয়া হয়েছে, সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ ও বলে দেওয়া হয়েছে । আবার প্রতিটি ছত্রের ব্যখ্যা ও করা হয়েছে। আর তোমাদের সবচেয়ে প্রিয় ক্যুইজ ও দেওয়া প্রস্তত ও করা হয়েছে। অবশ্যই উপযুক্ত সাউন্ড দিয়ে শুরু করতে পারো ।

পাখির কাছে ফুলের কাছে: প্রকৃতির সাথে এক কবির কথোপকথন

এই কবিতায় কবি আল মাহমুদ এক চাঁদনী রাতে তাঁর অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা আমাদের বলেছেন। তিনি যখন ঘর থেকে বেরোলেন, তখন দেখলেন চেনা শহরটা থরথর করে কাঁপছে, মিনার, গির্জা, পাহাড়—সবাই যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। এমনকি দিঘির কালো জল, জোনাকি, ফুল ও পাখিরাও তাঁর সাথে কথা বলতে শুরু করে। তারা সবাই কবির কাছে কবিতা শোনার জন্য আবদার করে।

কবিতাটি পড়লে মনে হবে, যেন আমরাও কবির সাথে সেই রহস্যময় রাতে প্রকৃতির সাথে কথা বলছি। কবি এখানে প্রকৃতিকে এতটাই ভালোবেসেছেন যে, প্রকৃতির সমস্ত জড় ও জীবন্ত উপাদান তাঁর কাছে বন্ধু হয়ে উঠেছে। তিনি মানুষের চেয়ে বরং এই পাখি ও ফুলের কাছেই নিজের মনের কথা বলতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। চলো, আমরা কবিতাটা আরও ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করি। তোমাদের জন্য শেষে একটি কুইজ ও প্রতিটি লাইনের বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ নলেজ স্লাইড অপেক্ষা করছে!

Total Questions: 22

Total Marks: 30

Total Slides: 4

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (1 votes)

Click on a star to rate:

কবিতার মূলভাব: প্রকৃতির মাঝে কবির আশ্রয়

আল মাহমুদ তাঁর “পাখির কাছে ফুলের কাছে” কবিতায় নিসর্গপ্রেম বা প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসার এক অসাধারণ ছবি এঁকেছেন। কবিতাটির মূলভাব হলো, শহুরে কোলাহল ও একাকীত্ব থেকে মুক্তি পেতে কবি প্রকৃতির জীবন্ত ও মায়াবী রূপের মধ্যে আশ্রয় খুঁজে নিচ্ছেন। তাঁর চোখে, রাতের নিস্তব্ধতায় প্রকৃতি কথা বলে ওঠে। নারকেল গাছের মাথায় ওঠা গোলগাল চাঁদ, দাঁড়িয়ে থাকা মিনার, লাল পাথরের গির্জা—সবকিছুই তাঁর কাছে জীবন্ত সত্তা বলে মনে হয়।

কবিতায় আমরা দেখি, কবি যখন ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন জড়বস্তুগুলোও যেন প্রাণ ফিরে পায়। উটকো পাহাড় তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডাকে, দিঘির কালো জল তাঁকে ‘না-ঘুমানোর দল’-এ স্বাগত জানায় এবং তাঁর কাছে কবিতা শুনতে চায়। জোনাকিরা দরবার বসায়, আর ফুল-পাখিরাও সেই কাব্যসভায় যোগ দেয়। এই চিত্রকল্পগুলোর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকৃতির সাথে যার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সে প্রকৃতির ভাষাও বুঝতে পারে। প্রকৃতিই তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে ওঠে।

শেষ পর্যন্ত কবি তাঁর ছড়ার বই খুলে পাখি ও ফুলের কাছেই মনের কথা বলেন। এটি প্রমাণ করে যে, মানুষের কোলাহলপূর্ণ যান্ত্রিক জীবনের চেয়ে প্রকৃতির শান্ত, সহজ ও সরল সান্নিধ্যই কবির কাছে অনেক বেশি মূল্যবান। তিনি প্রকৃতির মাঝেই নিজের আবেগ, অনুভূতি ও সৃষ্টিশীলতাকে উজাড় করে দিতে চান। এই কবিতাটি আমাদের প্রকৃতির প্রতি আরও সংবেদনশীল ও শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়।

আশা করি, তোমরা কবিতার ভেতরের কথাগুলো বুঝতে পেরেছ। এবার কুইজে অংশ নিয়ে নিজের জ্ঞান যাচাই করে নাও আর কমেন্টে জানিও তোমাদের কত স্কোর হলো!

Share this:

Leave a Comment

×

Available Courses

ASK