🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায়টি শুধু ভূমিরূপ মুখস্থ করার জায়গা নয়, বরং এটি হলো প্রকৃতির কাজ করার পদ্ধতি বোঝার অধ্যায়। আবহবিকার থেকে শুরু করে ভূমিরূপ তৈরি হওয়া পর্যন্ত পুরো শৃঙ্খলটি ঠিকমতো বুঝতে পারলেই পরীক্ষায় আসা যেকোনো শর্ট প্রশ্ন বা ৫ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর অনায়াসেই দেওয়া সম্ভব। সম্পূর্ণ বাংলা টার্ম এবং মাধ্যমিকের বাছাই করা উদাহরণগুলো দিয়ে এই পেজটি সাজানো হয়েছে।

১. বহির্জাত প্রক্রিয়ার ভিত্তি: আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও নগ্নীভবন
প্রক্রিয়াসংজ্ঞা ও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য
আবহবিকারআবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান (উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত) দ্বারা ভূপৃষ্ঠের শিলা স্বস্থানে চূর্ণবিচূর্ণ বা বিয়োজিত হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি একটি স্থির প্রক্রিয়া, এখানে পদার্থের কোনো স্থানান্তর হয় না।
পুঞ্জিত ক্ষয়আবহবিকারগ্রস্ত শিলাচূর্ণ বা মাটি যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসে, তখন তাকে পুঞ্জিত ক্ষয় বলে।
উদাহরণ: দার্জিলিং বা হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির পর ভূমিধস হলো পুঞ্জিত ক্ষয়ের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। (মাধ্যমিক ২০২৫-এ সরাসরি প্রশ্ন এসেছিল)
নগ্নীভবনআবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও খয়ীভবনের সম্মিলিত প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের ওপরের আবরণ অপসারিত হয়ে যখন মূল শিলাস্তর উন্মুক্ত হয়ে পড়ে, তখন তাকে নগ্নীভবন বলে। (মাধ্যমিক ২০২৩ ও ২০২৪-এ প্রশ্ন এসেছিল)।
পর্যায়নউঁচু স্থান ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নিচু হওয়া (অবরোহণ) এবং নিচু স্থান সঞ্চয়ের মাধ্যমে ভরাট হয়ে উঁচু হওয়ার (আরোহণ) সম্মিলিত ফল হলো পর্যায়ন। এর ফলে অসমতল ভূপৃষ্ঠ সমতল হয়।

২. নদীর প্রাথমিক ধারণা, গতিপথ ও বহন পদ্ধতি
বিষয়ব্যাখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ
অববাহিকা ও জলবিভাজিকাপ্রধান নদী ও তার উপনদীগুলো যে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের জল বয়ে আনে, তাকে ধারণ অববাহিকা বা নদী অববাহিকা বলে। দুটি নদী অববাহিকাকে যে উচ্চভূমি আলাদা করে রাখে, তাকে জলবিভাজিকা বলে।
উদাহরণ: আমাজন অববাহিকা পৃথিবীর বৃহত্তম। ভারতের বিন্ধ্য পর্বত ও পশ্চিমঘাট পর্বত হলো আদর্শ জলবিভাজিকা।
নদীর তিনটি গতি বা পর্যায়১. উচ্চগতি (পার্বত্য প্রবাহ): ভূমির ঢাল খুব খাড়া থাকে। এখানে নদীর প্রধান কাজ হলো নিম্নক্ষয়। (সৃষ্টি হয়: ভি-উপত্যকা, জলপ্রপাত)
২. মধ্যগতি (সমভূমি প্রবাহ): ভূমির ঢাল কমে যায়। এখানে নদী ক্ষয় ও পরিবহন দুটোই করে। (সৃষ্টি হয়: নদীবাঁক)
৩. নিম্নগতি (বদ্বীপ প্রবাহ): ভূমির ঢাল একেবারে সমতল হয়ে যায়। এখানে নদীর প্রধান কাজ হলো সঞ্চয়। (সৃষ্টি হয়: বদ্বীপ, অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ)
নদীর চারটি বহন পদ্ধতিনদী মূলত ৪টি প্রক্রিয়ায় ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ বহন করে:
১. দ্রবণ পদ্ধতি: লবণের মতো খনিজ নদীর জলে গলে গিয়ে বাহিত হয়।
২. ভাসমান পদ্ধতি: অদ্রবীভূত অতি সূক্ষ্ম পলি, বালি বা কাদা জলের সাথে ভেসে ভেসে বাহিত হয়।
৩. লম্ফদান পদ্ধতি: মাঝারি আকারের নুড়ি নদীর তলদেশে ধাক্কা খেয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাহিত হয়।
৪. গড়িয়ে চলা পদ্ধতি: বড় বড় পাথর স্রোতের টানে নদীর তলদেশ দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে বাহিত হয়।

অধ্যায়ের মূল কনসেপ্ট: কাজ এক, নাম আলাদা! 💡
নদী, হিমবাহ ও বায়ু প্রত্যেকেই ক্ষয় ও সঞ্চয় করে, শুধু তাদের তৈরি ভূমিরূপের নামগুলো ভিন্ন হয়।
১. ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ
নদীর কাজ
  • ভি-আকৃতির উপত্যকা
  • গিরিখাত ও ক্যানিয়ন
  • জলপ্রপাত ও প্রপাতকূপ
  • পটহোল (মন্থকূপ)
হিমবাহের কাজ
  • ইউ-আকৃতির উপত্যকা (হিমদ্রোণী)
  • সার্ক বা করি
  • অ্যারেট ও হর্ন
  • ঝুলন্ত উপত্যকা ও ফিয়র্ড
  • রসে মোতানে
বায়ুর কাজ
  • ইনসেলবার্গ
  • ইয়ারদাং ও জিউগেন
  • ছত্রাক শিলা (গৌর)
  • ব্লো-আউট বা অপসারণ গর্ত
২. সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ
নদীর কাজ
  • পলল শঙ্কু ও পলল পাখা
  • প্লাবনভূমি ও স্বাভাবিক বাঁধ
  • অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ
  • বদ্বীপ
হিমবাহের কাজ
  • গ্রাবরেখা (মোরেন)
  • ড্রামলিন
  • এসকার ও কেম
বায়ুর কাজ
  • বারখান (অর্ধচন্দ্রাকৃতি)
  • সিফ বালিয়াড়ি
  • লোয়েস সমভূমি

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও সৃষ্ট ভূমিরূপের চিত্র

৩. নদীর কাজ: বদ্বীপ ও গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
বিষয়ব্যাখ্যা ও উত্তর (সংজ্ঞা → গঠনপ্রণালী → বৈশিষ্ট্য → উদাহরণ)
বদ্বীপ গঠনের অনুকূল শর্তসমূহ১. নদীর গতিবেগ হ্রাস: মোহনায় নদীর গতিবেগ একদম কমে গেলে পলি দ্রুত সঞ্চিত হয়।
২. প্রচুর পলির যোগান: নদী দীর্ঘ পথ অতিক্রম করলে প্রচুর পলি বয়ে আনে।
৩. অগভীর সমুদ্র: মোহনার কাছে সমুদ্র অগভীর হলে পলি সহজেই জমা হয়ে বদ্বীপ তৈরি করতে পারে।
৪. সমুদ্রস্রোত ও জোয়ার-ভাটার প্রকোপ কম: জোয়ারের টান বেশি থাকলে পলি সমুদ্রে ভেসে যায়।

উদাহরণ: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম। নর্মদা ও তাপ্তী নদীর মোহনায় বদ্বীপ নেই কারণ এদের গতিবেগ বেশি এবং পলি কম।

পটহোল বনাম প্রপাতকূপনদীতলের নরম শিলায় স্রোতের সাথে বাহিত পাথরের ঘর্ষণে (অবঘর্ষ) সৃষ্ট হাঁড়ির মতো গর্তকে পটহোল বা মন্থকূপ বলে। অন্যদিকে, জলপ্রপাতের পাদদেশে প্রবল জলস্রোত ও প্রস্তরখণ্ডের আঘাতে যে বিশাল আকারের গর্তের সৃষ্টি হয়, তাকে প্রপাতকূপ বলে।
অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদের সৃষ্টিনদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় নদী এঁকেবেঁকে চলে (মিয়েন্ডার)। বাঁক খুব বেশি হলে, বন্যার সময় নদী বাঁকা পথ ছেড়ে সোজা পথে বইতে শুরু করে। তখন পরিত্যক্ত বাঁকটি হ্রদ হিসেবে অবস্থান করে, যা দেখতে ঘোড়ার খুরের মতো হয়। (যেমন: মুর্শিদাবাদের ‘বিল’ বা ‘বাওড়’)।

৪. হিমবাহের কাজ: হিমরেখা, হিমশৈল ও পার্থক্য
বিষয় / পার্থক্যব্যাখ্যা ও বৈশিষ্ট্য
হিমরেখা ও হিমশৈলহিমরেখা: যে সীমারেখার ওপরে সারাবছর বরফ জমে থাকে এবং নিচে নামলে বরফ গলে যায়, তাকে হিমরেখা বলে। অক্ষাংশ ও ঋতুভেদে এর উচ্চতা সর্বত্র সমান হয় না।
হিমশৈল: মহাদেশীয় হিমবাহের কিনারা ভেঙে সমুদ্রে ভাসমান বিশাল বরফখণ্ডকে হিমশৈল বলে (এর ৯ ভাগের ১ ভাগ মাত্র জলের ওপরে থাকে)।
সার্ক বনাম অ্যারেটপাহাড়ের গায়ে হিমবাহের ক্ষয়ে তৈরি হাতল ছাড়া চেয়ারের মতো গর্তকে সার্ক বলে। পাশাপাশি দুটি সার্ক তৈরি হলে, তাদের মাঝখানের সরু, তীক্ষ্ণ ও করাতের দাঁতের মতো শিলা-শিরাকে অ্যারেট বলে।
রসে মোতানে বনাম ড্রামলিনরসে মোতানে হলো হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি শিলাস্তূপ, যার প্রবাহের দিকটি মসৃণ এবং বিপরীত দিকটি অমসৃণ হয়। অন্যদিকে, ড্রামলিন হলো সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট উল্টানো নৌকার মতো টিলা।

৫. মরু অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ ও বায়ুর কাজ
ভূমিরূপ / পার্থক্যকীভাবে তৈরি হয় ও বৈশিষ্ট্য
ইয়ারদাং বনাম জিউগেনশিলায় কঠিন ও নরম স্তর লম্বালম্বিভাবে থাকলে বায়ু নরম স্তর দ্রুত ক্ষয় করে সরু-লম্বা খাঁজ তৈরি করে, একে ইয়ারদাং বলে। কিন্তু শিলায় কঠিন ও নরম স্তর অনুভূমিকভাবে থাকলে নিচের নরম স্তরটি ক্ষয়ে মাশরুমের মতো স্তম্ভ তৈরি হয়, একে জিউগেন বলে।
ওয়াদি ও প্লায়ামরু অঞ্চলে অনিয়মিত বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট শুষ্ক নদীখাতকে ওয়াদি বলে। অন্যদিকে, মরুভূমির মাঝে চারদিক পাহাড় ঘেরা লবণাক্ত জলের হ্রদকে প্লায়া বলে (রাজস্থানে একে ‘ধান্দ’ বলা হয়)।
পেডিমেন্ট ও বাজাদামরু অঞ্চলে পাহাড়ের পাদদেশে বায়ু ও জলধারার ক্ষয়কাজে সৃষ্ট মৃদু ঢালু শিলাময় প্রান্তরকে পেডিমেন্ট বলে। পেডিমেন্টের ঠিক নিচে জলধারার সঞ্চয়কাজে পলি ও নুড়ি জমে গঠিত সমভূমিকে বাজাদা বলে।
আর্গ বনাম হামাদাসাহারা মরুভূমির বিস্তীর্ণ বালুকাময় অঞ্চলকে আর্গ বলে। অন্যদিকে, বালি উড়ে গিয়ে উন্মুক্ত হওয়া বিস্তীর্ণ শিলাময় বা পাথুরে মরুভূমিকে হামাদা বলে।

৬. Master Practice: ৫ নম্বরের জন্য প্রস্তুতি

বিগত বছরগুলোর (২০২৩-২০২৬) প্রশ্নের প্যাটার্ন দেখলে বোঝা যায়, প্রতি বছর নদী, বায়ু ও হিমবাহের মধ্যে ক্ষয় ও সঞ্চয়কাজ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আসে। তাই কোনো একটি টপিক বাদ দেওয়া বিপজ্জনক। ৫ নম্বরে ফুল মার্কস পেতে নিচের মডেলগুলো ছবিসহ প্র্যাকটিস করো:

📌 ৫ নম্বরের প্রশ্নাবলি ও উত্তর লেখার কাঠামো

১. নদীর ক্ষয়কাজ (মাধ্যমিক ২০২৩-এ এসেছিল)
প্রশ্ন: নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ৩টি ভূমিরূপ চিত্রসহ বর্ণনা করো।

পয়েন্ট: ভি-উপত্যকা, জলপ্রপাত, মন্থকূপ। (সাথে ৩টি ছোট ছবি)

২. বায়ুর ক্ষয়কাজ (মাধ্যমিক ২০২৪-এ এসেছিল)
প্রশ্ন: বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ৩টি প্রধান ভূমিরূপ চিত্রসহ লেখো।

পয়েন্ট: গৌর (ছত্রাক শিলা), ইয়ারদাং, জিউগেন। (সাথে ৩টি ছবি)

৩. হিমবাহের ক্ষয়কাজ (মাধ্যমিক ২০২৫-এ এসেছিল)
প্রশ্ন: হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ৩টি ভূমিরূপ উদাহরণসহ লেখো।

পয়েন্ট: সার্ক, রসে মোতানে, ঝুলন্ত উপত্যকা। (সাথে ৩টি ছবি)

৪. নদীর সঞ্চয়কাজ (মাধ্যমিক ২০২৬-এ এসেছিল)
প্রশ্ন: নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ৩টি ভূমিরূপ চিত্রসহ বর্ণনা করো।

পয়েন্ট: পলল শঙ্কু, অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ, বদ্বীপ। (সাথে ৩টি ছবি)

৫. ২০২৭ প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
প্রশ্ন: বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বিবরণ দাও। (পয়েন্ট: ওয়াদি, পেডিমেন্ট, বাজাদা, প্লায়া)
প্রশ্ন: হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ৩টি ভূমিরূপ চিত্রসহ লেখো। (পয়েন্ট: গ্রাবরেখা, ড্রামলিন, এসকার)
প্রশ্ন: নদীর উচ্চগতি ও নিম্নগতিতে কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপের তুলনা করো।

৭. শর্ট প্রশ্নের ব্রহ্মাস্ত্র (Targeted One-Liners)

এমসিকিউ, শূন্যস্থান, সত্য/মিথ্যা এবং এক কথায় উত্তরের জন্য নিচের ৫০টি তথ্য একেবারে ঠোঁটস্থ করে ফেলো। এগুলো পড়লেই শর্ট প্রশ্ন ১০০% কভার হবে:

  • ১. বহির্জাত শক্তির মূল উৎস হলো সৌরশক্তি।
  • ২. আবহবিকার হলো শিলার স্বস্থানে চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া।
  • ৩. মাধ্যাকর্ষণের টানে শিলাস্তরের নিচে নামাকে পুঞ্জিত ক্ষয় বলে।
  • ৪. আবহবিকার ও খয়ীভবনে মূল শিলা উন্মুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে নগ্নীভবন বলে।
  • ৫. অবরোহণ ও আরোহণের সম্মিলিত ফলই হলো পর্যায়ন।
  • ৬. নদীর প্রধান কাজ ৩টি: ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয়।
  • ৭. নদীর ক্ষয়সীমা ধারণার প্রবর্তক জে. ডাব্লিউ. পাওয়েল।
  • ৮. গতিবেগ দ্বিগুণ হলে নদীর বহন ক্ষমতা ৬৪ গুণ বাড়ে (ষষ্ঠঘাতের সূত্র)।
  • ৯. ষষ্ঠঘাতের সূত্রের প্রবর্তক ডব্লু. এইচ. হপকিন্স।
  • ১০. পৃথিবীর বৃহত্তম নদী অববাহিকা আমাজন।
  • ১১. দুটি নদী অববাহিকাকে আলাদা করে জলবিভাজিকা (যেমন: বিন্ধ্য পর্বত)।
  • ১২. নদীর গতিপথে কঠিন ও নরম শিলা আড়াআড়ি থাকলে খরস্রোত বা র‍্যাপিড সৃষ্টি হয়।
  • ১৩. পাহাড়ের অভিক্ষিপ্তাংশগুলি একে অপরের মধ্যে আবদ্ধ হলে তাকে শৃঙ্খলিত শৈলশিরা বলে।
  • ১৪. শুষ্ক অঞ্চলের গভীর গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে (যেমন: কলোরাডোর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন)।
  • ১৫. নদীর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় তলদেশে পটহোল বা মন্থকূপ তৈরি হয়।
  • ১৬. জলপ্রপাতের পাদদেশে সৃষ্ট বিশাল গর্তকে প্রপাতকূপ বলে।
  • ১৭. সমভূমি প্রবাহে নদীর আঁকাবাঁকা গতিপথকে নদীবাঁক বা মিয়েন্ডার বলে।
  • ১৮. নদীবাঁক বিচ্ছিন্ন হলে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ সৃষ্টি হয়।
  • ১৯. মুর্শিদাবাদে গঙ্গা নদীর তীরে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদকে ‘বিল’ বা ‘বাওড়’ বলে।
  • ২০. নদীর পার্বত্য ও সমভূমি প্রবাহের সংযোগস্থলে পলল শঙ্কু তৈরি হয়।
  • ২১. পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ হলো গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ (সুন্দরবন)।
  • ২২. নর্মদা ও তাপ্তী নদীর মোহনায় কোনো বদ্বীপ নেই।
  • ২৩. পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ মিসিসিপি-মিসৌরি নদীতে দেখা যায়।
  • ২৪. পৃথিবীর দীর্ঘতম মহাদেশীয় হিমবাহ অ্যান্টার্কটিকার ল্যাম্বার্ট।
  • ২৫. দীর্ঘতম পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহের একটি আদর্শ উদাহরণ হলো আলাস্কার হাবার্ড।
  • ২৬. ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহ কারাকোরামের সিয়াচেন।
  • ২৭. পর্বতগাত্র ও হিমবাহের মাঝের গভীর ফাটলকে বার্গস্রুন্ড বলে।
  • ২৮. হিমবাহের উপরিভাগের ফাটলকে ক্রেভাস বলে।
  • ২৯. যে উচ্চতার ওপরে সারাবছর বরফ জমে থাকে তাকে হিমরেখা বলে।
  • ৩০. সমুদ্রে ভাসমান বিশাল বরফের স্তূপকে হিমশৈল বলে।
  • ৩১. হিমবাহের ক্ষয়কার্যে সৃষ্ট উপত্যকা দেখতে ইংরেজি ‘ইউ’ আকৃতির হয় (হিমদ্রোণী)।
  • ৩২. পাহাড়ের গায়ে হাতল ছাড়া চেয়ারের মতো গর্তকে সার্ক বা করি বলে।
  • ৩৩. ঝুলন্ত উপত্যকায় নদী প্রবাহিত হলে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়।
  • ৩৪. সমুদ্রে আংশিক ডুবে থাকা গভীর হিমবাহ উপত্যকাকে ফিয়র্ড বলে (নরওয়ে ফিয়র্ডের দেশ)।
  • ৩৫. রসে মোতানে হলো হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট অমসৃণ শিলাস্তূপ।
  • ৩৬. উল্টানো নৌকার মতো হিমবাহ সঞ্চিত ভূমিরূপ হলো ড্রামলিন।
  • ৩৭. বিস্তীর্ণ ড্রামলিন অধ্যুষিত অঞ্চলকে ‘বাস্কেট অফ এগস টপোগ্রাফি’ বলে।
  • ৩৮. গলিত জলের স্রোতে বাহিত দীর্ঘ আঁকাবাঁকা শৈলশিরাকে এসকার বলে।
  • ৩৯. মরু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম থাকায় বায়ুর কাজ বেশি দেখা যায়।
  • ৪০. সাহারার বালুকাময় মরুভূমিকে আর্গ এবং শিলাময় মরুভূমিকে হামাদা বলে।
  • ৪১. বায়ুর ক্ষয়ে সৃষ্ট ব্যাঙের ছাতার মতো ভূমিরূপকে গৌর বা ছত্রাক শিলা বলে।
  • ৪২. শিলার লম্বালম্বি বিন্যাসের কারণে বায়ুর ক্ষয়ে ইয়ারদাং তৈরি হয়।
  • ৪৩. শিলার অনুভূমিক বিন্যাসের কারণে বায়ুর ক্ষয়ে জিউগেন তৈরি হয়।
  • ৪৪. বায়ুর অপসারণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তকে ব্লো-আউট বা অপসারণ গর্ত বলে।
  • ৪৫. বায়ুর গতিপথে আড়াআড়ি গঠিত অর্ধচন্দ্রাকার বালিয়াড়ি হলো তির্যক বালিয়াড়ি (যেমন: বারখান)।
  • ৪৬. বায়ুর গতিপথের সমান্তরালে গঠিত দীর্ঘ বালিয়াড়ি হলো অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি (যেমন: সিফ)।
  • ৪৭. বায়ুবাহিত ধুলিকণা বহু দূরে সঞ্চিত হয়ে উর্বর লোয়েস সমভূমি গঠন করে।
  • ৪৮. মরু অঞ্চলের চারদিক ঘেরা লবণাক্ত হ্রদকে প্লায়া (রাজস্থানে ‘ধান্দ’) বলে।
  • ৪৯. মরুভূমির শুষ্ক নদীখাতকে ওয়াদি বলে।
  • ৫০. বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যে পাহাড়ের পাদদেশে গঠিত সঞ্চয়জাত সমভূমি হলো বাজাদা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
All Subjects
    ☰
    ASK