🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

রাসায়নিক গণনা- মাধ্যমিক ভৌত বিজ্ঞান অধ্যায় ৩

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, দশম শ্রেণির ভৌতবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায়ে  আলোচ্য বিষয় রাসায়নিক গণনা।  তোমরা জানো যে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক (Reactant) পদার্থগুলো নিজেদের মধ্যে বিক্রিয়া করে নতুন ধর্মবিশিষ্ট বিক্রিয়াজাত (Product) পদার্থ তৈরি করে। কিন্তু এই পরিবর্তনের সময় পদার্থের ভরের কী কোনো পরিবর্তন হয়? এই অধ্যায়ে আমরা ভরের সংরক্ষণ সূত্র এবং আইনস্টাইনের E=mc2 সমীকরণ সম্পর্কে জানব। পাশাপাশি কোনো গ্যাসের বাষ্পঘনত্ব ও আণবিক ভরের সম্পর্ক (M = 2D) এবং রাসায়নিক সমীকরণের ওপর ভিত্তি করে কীভাবে ভরআয়তন সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যা (Stoichiometry) সমাধান করতে হয়, তা আমরা খুব সহজভাবে ধাপে ধাপে শিখব।

সূচিপত্র রাসায়নিক গণনা

রাসায়নিক গণনা একনজরে

ভরের নিত্যতা ⚖️

যে-কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার পূর্বে বিক্রিয়ক পদার্থের মোট ভর এবং বিক্রিয়ার পরে উৎপন্ন বিক্রিয়াজাত পদার্থের মোট ভর সর্বদা সমান থাকে।

ভর ও শক্তি ⚛️

বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ভর ও শক্তির তুল্যতা সমীকরণটি হলো E = mc2। মহাবিশ্বে ভর ও শক্তির মোট পরিমাণ ধ্রুবক।

বাষ্পঘনত্ব (D) 💨

একই চাপ ও তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের ওজন সমআয়তন হাইড্রোজেন গ্যাসের ওজনের তুলনায় যত গুণ ভারী, তাকে বাষ্পঘনত্ব বলে।

আণবিক ভর (M) 🧪

অ্যাভোগাড্রো সূত্র প্রয়োগ করে প্রমাণ করা যায় যে, যেকোনো গ্যাসের আণবিক ভর তার বাষ্পঘনত্বের দ্বিগুণ। অর্থাৎ, M = 2D

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. ভরের সংরক্ষণ সূত্র কী?

ভরের সংরক্ষণ বা নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী, যে-কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার পূর্বে বিক্রিয়ক পদার্থের মোট ভর যা থাকে, বিক্রিয়ার পরে উৎপন্ন বিক্রিয়াজাত পদার্থের মোট ভর ঠিক তারই সমান হয়। অর্থাৎ, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ভরের কোনো সৃষ্টি বা বিনাশ হয় না।

২. আইনস্টাইনের ভর ও শক্তির সমীকরণটি কী?

বিজ্ঞানী আইনস্টাইন ভর (m) এবং শক্তির (E) মধ্যে যে সম্পর্ক দেখিয়েছেন, তা হলো E = mc2 (যেখানে c = শূন্যস্থানে আলোর বেগ)। এর অর্থ হলো ভরকে শক্তিতে বা শক্তিকে ভরে রূপান্তরিত করা সম্ভব।

৩. গ্যাসের বাষ্পঘনত্ব কাকে বলে? এর একক কী?

একই চাপ ও তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের ওজন সমআয়তন হাইড্রোজেন গ্যাসের ওজনের তুলনায় যত গুণ ভারী, সেই সংখ্যাটিকে ওই গ্যাসের বাষ্পঘনত্ব (Vapor Density বা D) বলে। যেহেতু এটি দুটি সমজাতীয় রাশির অনুপাত, তাই বাষ্পঘনত্বের কোনো একক নেই।

৪. আণবিক ভর ও বাষ্পঘনত্বের মধ্যে সম্পর্ক কী?

যেকোনো গ্যাসের আণবিক ভর (M) তার বাষ্পঘনত্বের (D) দ্বিগুণ হয়। গাণিতিক সম্পর্কটি হলো: M = 2D

৫. প্রমাণ চাপ ও তাপমাত্রায় (STP) 1 মোল গ্যাসের আয়তন কত?

অ্যাভোগাড্রোর সূত্র অনুযায়ী, প্রমাণ চাপ ও তাপমাত্রায় (STP-তে) 1 মোল পরিমাণ যেকোনো আদর্শ গ্যাসের আয়তন হয় ২২.৪ লিটার বা ২২৪০০ ঘন সেন্টিমিটার (cm3)

Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
ASK