পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের দশম শ্রেণির ইতিহাস (History) বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক আলোচনা করা হয়েছে। প্রতিটি বৃহৎ অধ্যায়কে ছোট ছোট মাইক্রো-লেসনে (Micro-lessons) ভাগ করে সহজ ভাষায় বোঝানো হয়েছে এবং সাথে ইন্টারেক্টিভ ক্যুইজ ও প্রশ্ন-উত্তর দেওয়া হয়েছে।
অধ্যায় অনুযায়ী তথ্য ও কুইজ
১. ইতিহাসের ধারণা
২. সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা
৩. প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ: বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ
৪. সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা: বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ
৬. ভারতে কৃষক, শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন
৫. বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ
৭. বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন
৮. উত্তর ঔপনিবেশিক ভারত: ১৯৪৭-১৯৬৪ খ্রি.
WBBSE Class 10 (Madhyamik) ইতিহাস (History) বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো এবং নম্বর বিভাজন নিচে দেওয়া হলো:
WBBSE Class X History Marks Distribution
- লিখিত পরীক্ষা (Written Exam): ৯০ নম্বর
- অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন (Project/Internal): ১০ নম্বর
বিভাগ অনুযায়ী প্রশ্নের ধরন (Question Pattern)
| বিভাগ | প্রশ্নের ধরন | প্রশ্নের সংখ্যা | প্রতিটি প্রশ্নের মান | মোট নম্বর |
|---|---|---|---|---|
| বিভাগ-ক | বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) | ২০ টি | ১ | ২০ |
| বিভাগ-খ | অতি সংক্ষিপ্ত (VSA / ম্যাপ পয়েন্টিং / সত্য-মিথ্যা) | ১৬ টি (২০টির মধ্যে) | ১ | ১৬ |
| বিভাগ-গ | সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (SA) | ১১ টি (১৬টির মধ্যে) | ২ | ২২ |
| বিভাগ-ঘ | বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন (Analytical) | ৬ টি (৮টির মধ্যে) | ৪ | ২৪ |
| বিভাগ-ঙ | রচনাধর্মী প্রশ্ন (LA) | ১ টি (৩টির মধ্যে) | ৮ | ৮ |
| মোট | ৯০ | |||
অধ্যায়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন (Chapter-wise Marks Overview)
| অধ্যায় (Chapter) | MCQ (1) | VSA (1) | SA (2) | Analytical (4) | LA (8) |
|---|---|---|---|---|---|
| ১. ইতিহাসের ধারণা | ২ | ২ | ২ টি | – | – |
| ২. সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা | ২ | ২ | ২ টি | ২ টি (যেকোনো ১টি) | ৩টি থেকে ১টি (৮ নম্বর) |
| ৩. প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ | ২ | ২ | ২ টি | ||
| ৪. সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা | ২ | ২ | ২ টি | ২ টি (যেকোনো ১টি) | |
| ৫. বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ | ২ | ২ | ২ টি | ৩টি থেকে ১টি (৮ নম্বর) | |
| ৬. কৃষক, শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন | ৩ | ৩ | ২ টি | ২ টি (যেকোনো ১টি) | |
| ৭. নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন | ৩ | ৩ | ২ টি | ||
| ৮. উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত | ৪ | ৪ | ২ টি | ২ টি (যেকোনো ১টি) | – |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিভাগ-খ তে ৪ নম্বরের ঐতিহাসিক ম্যাপ পয়েন্টিং (Map Pointing) বাধ্যতামূলক থাকে, যা সাধারণত বিদ্রোহ বা জাতীয়তাবাদের কেন্দ্রগুলি থেকে আসে।
WBBSE দশম শ্রেণীর ইতিহাস বিষয়ের পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন (Summative Evaluation) এবং সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ নিচে দেওয়া হলো:
| মূল্যায়ন (Evaluation) | সময়কাল (Tentative Month) | লিখিত নম্বর | অধ্যায়সমূহ (Chapters) |
|---|---|---|---|
| প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন (1st Summative) | এপ্রিল | ৪০ | ১. ইতিহাসের ধারণা ২. সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা ৩. প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ |
| দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন (2nd Summative) | আগস্ট | ৪০ | ৪. সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা ৫. বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ ৬. কৃষক, শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন |
| তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন (Test / Final) | নভেম্বর (Test) / ফেব্রুয়ারি (Final) | ৯০ | সম্পূর্ণ সিলেবাস (অধ্যায় ১ থেকে ৮ পর্যন্ত) |
দ্রষ্টব্য: প্রতিটি সামেটিভ মূল্যায়নের সাথে ১০ নম্বর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন (Project) হিসেবে যুক্ত থাকে।
মাধ্যমিক ইতিহাস: সম্পূর্ণ সিলেবাস ও আমাদের গাইডলাইন
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) সর্বশেষ সিলেবাস অনুযায়ী দশম শ্রেণির ইতিহাস (Class 10 History) বিষয়টি শুধু সাল বা তারিখ মুখস্থ করার বিষয় নয়, বরং এটি হলো ধারণা ও বিশ্লেষণের বিষয়। আমাদের এই পেজে প্রথম অধ্যায় ‘ইতিহাসের ধারণা’ থেকে শুরু করে একেবারে শেষ অধ্যায় ‘উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত’ পর্যন্ত ৮টি অধ্যায়কে অত্যন্ত সুচারুভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি অধ্যায়কে আমরা ছোটো ছোটো মাইক্রো-লেসনে ভাগ করেছি, যাতে ছাত্রছাত্রীরা বোরিং বড়ো টেক্সটের বদলে গল্পের মতো করে ইতিহাস শিখতে পারে।
মাধ্যমিক ইতিহাসে ভালো নম্বর তুলতে হলে শর্ট প্রশ্ন (MCQ ও VSA), ৪ নম্বরের ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন এবং ৮ নম্বরের বড়ো প্রশ্নের (Long Answers) ওপর সমান জোর দিতে হয়। তাই আমরা প্রতিটি টপিকের শেষে দিয়েছি ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্যুইজ এবং মক টেস্ট। সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের স্মার্ট ডিকশনারি ফিচারের সাহায্যে যেকোনো কঠিন ঐতিহাসিক শব্দ, আইন, সন্ধি বা মনীষীর নামের ওপর ক্লিক করলেই তার বিস্তারিত তথ্য ও সাল স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। এর ফলে সাল-তারিখ মনে রাখা এখন আর কোনো কঠিন কাজ নয়!
মাধ্যমিকের চূড়ান্ত প্রস্তুতির এই যাত্রায় QSH India সর্বদা তোমাদের পাশে রয়েছে। আমাদের তৈরি এই স্মার্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি সাধারণ গাইডবইয়ের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী। নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো অধ্যায় বেছে নাও, ক্যুইজ দাও, এবং আজ থেকেই বোর্ড পরীক্ষার জন্য নিজেকে একধাপ এগিয়ে রাখো!
মাধ্যমিক ইতিহাস: সাধারণ জিজ্ঞাস্য (FAQs)
মাধ্যমিক ইতিহাস সিলেবাসে মোট কয়টি অধ্যায় আছে?
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দশম শ্রেণির ইতিহাস সিলেবাসে মোট ৮টি অধ্যায় রয়েছে। এগুলো হলো- ১. ইতিহাসের ধারণা, ২. সংস্কার, ৩. প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ, ৪. সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা, ৫. বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ, ৬. কৃষক ও শ্রমিক আন্দোলন, ৭. নারী ও ছাত্র আন্দোলন, এবং ৮. উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত।
মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষায় মোট কত নম্বরের প্রশ্ন থাকে?
মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বর থাকে। এর মধ্যে ৯০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয় এবং বাকি ১০ নম্বর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বা প্রজেক্টের (Internal Assessment) জন্য বরাদ্দ থাকে। লিখিত পরীক্ষায় ১, ২, ৪ এবং ৮ নম্বরের প্রশ্ন আসে।
ইতিহাস পরীক্ষায় কি ম্যাপ পয়েন্টিং (Map Pointing) থাকে?
হ্যাঁ, মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষায় ‘বিভাগ-খ’-তে ৪ নম্বরের ঐতিহাসিক ম্যাপ পয়েন্টিং বাধ্যতামূলক থাকে। সাধারণত ভারতের বিভিন্ন বিদ্রোহের কেন্দ্র (যেমন- সাঁওতাল বা মুন্ডা বিদ্রোহের এলাকা), দেশীয় রাজ্য বা মহাবিদ্রোহের (১৮৫৭) কেন্দ্রগুলো ম্যাপে চিহ্নিত করতে দেওয়া হয়।
QSH India থেকে কীভাবে মাধ্যমিক ইতিহাসের সেরা প্রস্তুতি নেব?
QSH India-তে ইতিহাসের কঠিন বিষয়গুলোকে গল্পের মতো ছোটো ছোটো মাইক্রো-লেসনে (Micro-lessons) ভাগ করা হয়েছে। আমাদের স্মার্ট ডিকশনারি ফিচারের সাহায্যে যেকোনো কঠিন শব্দ বা সালের তথ্য এক ক্লিকেই জানা যায়। এছাড়া প্রতিটি টপিকের শেষে থাকা ক্যুইজ (Quiz) প্র্যাকটিস করে তোমরা শর্ট প্রশ্নে (MCQ) পুরো নম্বর নিশ্চিত করতে পারো।
উনিশ শতকের সমাজ সংস্কার, সাহিত্য ও বিকল্প চিন্তা
দশম শ্রেণির ইতিহাস সিলেবাসটি আধুনিক ভারত ও স্বাধীনতা সংগ্রামের এক রোমাঞ্চকর যাত্রা। এই যাত্রার শুরুতে আমরা জানব উনিশ শতকের সমাজ সংস্কার সম্পর্কে, যেখানে রাজা রামমোহন রায় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর মতো মনীষীদের উদ্যোগে ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রদ ও ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয় এবং ব্রাহ্মসমাজ গঠিত হয়। পাশাপাশি স্বামী বিবেকানন্দ-এর লেখা বর্তমান ভারত (১৮৯৯) এবং ১৯১৩ সালে নোবেলজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর লেখা গীতাঞ্জলি কীভাবে পরাধীন ভারতের যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল, তাও আমরা জানব। শিক্ষাক্ষেত্রে ছাপাখানা-এর বিকাশ এবং ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী কীভাবে বিকল্প চিন্তার প্রসার ঘটিয়েছিল, তা আমরা এই পর্যায়ে পড়ব।
প্রতিরোধ, কৃষক বিদ্রোহ এবং জাতীয়তাবাদের উন্মেষ
এরপর ব্রিটিশদের অর্থনৈতিক শোষণের প্রকৃত চিত্র আমরা পাই দাদাভাই নওরোজি-র লেখা পভার্টি অ্যান্ড আন-ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া গ্রন্থে বর্ণিত ‘সম্পদের নির্গমন’ (Drain of Wealth) তত্ত্বের মাধ্যমে। এই শোষণের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ভারতের ক্ষোভ কীভাবে তিতুমির-এর ওয়াহাবি আন্দোলন (১৮৩১), কোল বিদ্রোহ, ১৮৫৫ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং মুন্ডা বিদ্রোহ-এর রূপ নিয়েছিল, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। কৃষকদের ওপর শোষণের চিত্র আমরা দেখতে পাই ১৮৫৯ সালের নীল বিদ্রোহ এবং ১৮৬০ সালে প্রকাশিত দীনবন্ধু মিত্রের কালজয়ী নাটক নীলদর্পণ-এর মাধ্যমে। কলকাতা, দিল্লি, মিরাট ও কানপুরকে কেন্দ্র করে ১৮৫৭ সালের ঐতিহাসিক মহাবিদ্রোহ এবং বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠ (১৮৮২) ও রবীন্দ্রনাথের গোরা (১৯১০) উপন্যাসের মাধ্যমে দেশে কীভাবে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটেছিল, তা এই সিলেবাসের অন্যতম আকর্ষণ।
গান্ধী যুগ, সশস্ত্র বিপ্লব ও নেতাজির সামরিক অভিযান
বিশ শতকের ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মহাত্মা গান্ধী-র নেতৃত্বে অহিংস গণ-আন্দোলন এক নতুন যুগের সূচনা করে। তাঁর আত্মজীবনীমাই এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ আমাদের তাঁর সত্যাগ্রহের আদর্শের কথা জানায়। ১৯২২ সালে চৌরিচৌরা-র মর্মান্তিক ঘটনার পর অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার থেকে শুরু করে ১৯৩০ সালে ডান্ডি-তে লবণ আইন ভঙ্গের মাধ্যমে আইন অমান্য আন্দোলন—সবই এই সিলেবাসের অংশ। অন্যদিকে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে, যার অন্যতম নিদর্শন হলো ১৯৩০ সালে মাস্টারদা সূর্য সেন-এর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর নিষিদ্ধ রাজনৈতিক উপন্যাস পথের দাবী। ভারতের বাইরে রাসবিহারী বসু-র উদ্যোগে এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু-র সুযোগ্য নেতৃত্বে সিঙ্গাপুর-এ আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। পাশাপাশি কৃষকদের অধিকার রক্ষায় ১৯২৮ সালের বারদৌলি সত্যাগ্রহ ও ১৯৪৬ সালের তেভাগা আন্দোলন বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত ও রাজ্য পুনর্গঠন
সবশেষে, লর্ড মাউন্টব্যাটেন-এর ঘোষণায় ভারতের স্বাধীনতা লাভ হয় ১৯৪৭ সালে এবং দেশভাগ-এর মর্মান্তিক পরিণতি হিসেবে কীভাবে উদ্বাস্তু সমস্যা-র সৃষ্টি হয় এবং দণ্ডকারণ্য-এ তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা হয়, তা আমরা জানব। স্বাধীন ভারতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল-এর কঠোর নেতৃত্বে ১৯৪৭ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে হায়দ্রাবাদ, জুনাগড় ও কাশ্মীর-এর মতো দেশীয় রাজ্য-এর ভারতভুক্তি সম্পন্ন হয়। পরিশেষে, ১৯৫৬ সালের রাজ্য পুনর্গঠন আইন-এর মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে বোম্বাই, মাদ্রাজ, অন্ধ্রপ্রদেশ, গোয়া ও পন্ডিচেরি-র সীমানা নির্ধারণের মধ্য দিয়ে বর্তমান ভারতের মানচিত্র কীভাবে তৈরি হলো, তা দিয়েই এই ঐতিহাসিক সিলেবাসের সমাপ্তি ঘটেছে।

