🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

পরিবেশের জন্য ভাবনা- ভৌত বিজ্ঞান দশম শ্রেণি

বিজ্ঞান পড়ার শুরুতেই আমাদের জানতে হবে যে পৃথিবীতে আমরা বাস করছি, তার পরিবেশ কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে তা প্রতিনিয়ত ধ্বংসের মুখে পড়ছে। এই অধ্যায়ে আমরা পৃথিবীর রক্ষাকবচ বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর (যেমন- ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার) এবং ওজোন স্তর সম্পর্কে জানব । পাশাপাশি, কীভাবে মানুষের তৈরি দূষণের ফলে গ্রিনহাউস প্রভাববিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) ঘটছে, তা বিশ্লেষণ করব। সবশেষে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি বাঁচিয়ে কীভাবে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তির মতো বিকল্প শক্তির ব্যবহার বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব ।

সূচিপত্র পরিবেশের জন্য ভাবনা

পরিবেশের জন্য ভাবনা একনজরে

বায়ুমণ্ডলের স্তর 🌍

উচ্চতা ও উয়তার তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার ও থার্মোস্ফিয়ারে ভাগ করা যায় । ট্রপোস্ফিয়ারে ঝড়-বৃষ্টি হয় ।

ওজোন স্তর 🛡️

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে থাকা ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে, কিন্তু CFC গ্যাস একে ধ্বংস করছে ।

গ্রিনহাউস প্রভাব 🌡️

CO₂, মিথেন (CH₄), CFC-এর মতো গ্যাস পৃথিবীর তাপ আটকে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটাচ্ছে, যার ফলে হিমবাহ গলছে এবং জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে ।

বিকল্প শক্তি ☀️

কয়লা বা পেট্রোলিয়ামের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি ফুরিয়ে যাচ্ছে । তাই সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা শক্তি বা বায়ো-গ্যাসের মতো অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে ।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে ঝড়-বৃষ্টি হয় এবং কেন একে ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলে?

বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নীচের স্তর ট্রপোস্ফিয়ারে ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত ইত্যাদি প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে । এই কারণে ট্রপোস্ফিয়ারকে ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলা হয়।

২. ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে অবস্থিত এবং এর কাজ কী?

ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে (Stratosphere) অবস্থিত । সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) শোষণ করে পৃথিবীর জীবজগৎকে রক্ষা করাই হলো ওজোন স্তরের প্রধান কাজ ।

৩. প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি?

বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্রিনহাউস প্রভাবের জন্য দায়ী প্রধান গ্যাসগুলি হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন, ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি । মনে রাখবে, নাইট্রোজেন (N₂) বা অক্সিজেন (O₂) গ্রিনহাউস গ্যাস নয় ।

৪. ‘তাপীয় মূল্য’ (Calorific Value) কাকে বলে?

একক ভরের জ্বালানির (একক আয়তনের গ্যাসীয় জ্বালানির) সম্পূর্ণ দহনে যে পরিমাণ তাপশক্তি নির্গত হয়, তাকে ওই জ্বালানির তাপন মূল্য বলে । এর একক হলো কিলোজুল/গ্রাম (kJ/g) বা কিলোজুল/ঘনমিটার (kJ/m³) ।

৫. বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান কী?

বায়োগ্যাস বা জৈব গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH₄)। এটি প্রায় ৫৫% থেকে ৬৫% পর্যন্ত থাকে। এটি একটি ভালো জ্বালানি ।

Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
ASK