🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

অধ্যায় ২: বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) : দশম শ্রেণির ভূগোল

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, দশম শ্রেণির ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায়ে আমরা জানব আমাদের পৃথিবীর চারিদিকে চাদরের মতো ঘিরে থাকা এক অদৃশ্য আবরণ সম্পর্কে, যার নাম ‘বায়ুমণ্ডল’। তোমরা কি জানো, এই বায়ুমণ্ডল না থাকলে পৃথিবীতে প্রাণের কোনো অস্তিত্বই থাকত না? মেঘ, বৃষ্টি, ঝড়, আবহাওয়ার পরিবর্তন থেকে শুরু করে ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে আমাদের রক্ষা করা—সবই করে এই বায়ুমণ্ডল। চলো, বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় উপাদান, বিভিন্ন স্তর, বায়ুপ্রবাহ এবং বৃষ্টিপাত নিয়ে আমরা ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে পড়ি এবং শিখি। মন দিয়ে প্রতিটি অংশ দেখো, তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব সহজ হয়ে যাবে!

সূচিপত্র (Topic-Wise Index)

বায়ুমণ্ডলের মূল বিষয়বস্তু একনজরে

বায়ুর উপাদান ও স্তর 🌍

বায়ু মূলত গ্যাস (নাইট্রোজেন ৭৮%, অক্সিজেন ২০.৯%), জলীয় বাষ্প ও কঠিন বস্তুকণা বা অ্যারোসল নিয়ে গঠিত। উষ্ণতা অনুযায়ী এর প্রধান স্তরগুলি হলো ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার ও এক্সোস্ফিয়ার।

তাপ ও বিশ্ব উষ্মায়ন ☀️

সূর্য থেকে আসা তাপ বা ইনসোলেশনের প্রভাবে পৃথিবী উত্তপ্ত হয়। গ্রিন হাউস গ্যাস বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বিশ্ব উষ্মায়ন (Global Warming) বলে।

বায়ুচাপ ও বায়ুপ্রবাহ 💨

পৃথিবীতে মোট ৭টি বায়ুচাপ বলয় রয়েছে। চাপের পার্থক্যের কারণেই বায়ু উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে ছুটে যায়। বায়ুপ্রবাহকে নিয়ত, সাময়িক, আকস্মিক ও স্থানীয় বায়ুতে ভাগ করা হয়।

আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত 🌧️

বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পই হলো আর্দ্রতা। ঘনীভবনের ফলে সৃষ্ট মেঘ থেকে মাধ্যাকর্ষণের টানে জলকণা যখন নিচে নেমে আসে, তখন তাকে বৃষ্টিপাত বলে (যেমন- পরিচলন, শৈলোৎক্ষেপ ও ঘূর্ণবৃষ্টি)।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাসীয় উপাদানগুলি কী কী?

বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকে নাইট্রোজেন (৭৮.০৮৪%) এবং অক্সিজেন (২০.৯৪৬%)। এছাড়া আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অন্যান্য গ্যাস সামান্য পরিমাণে থাকে।

২. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে মেঘ, ঝড় ও বৃষ্টি দেখা যায়?

বায়ুমণ্ডলের একেবারে নিচের স্তর অর্থাৎ ট্রপোস্ফিয়ারে (Troposphere) মেঘ, ঝড়, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি আবহাওয়ার যাবতীয় ঘটনা ঘটে, তাই একে ক্ষুব্ধমণ্ডল বলা হয়।

৩. অ্যালবেডো (Albedo) কাকে বলে?

সূর্য থেকে আগত সৌরশক্তির যে ৩৪ শতাংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত না করেই মহাশূন্যে ফিরে যায়, তাকে অ্যালবেডো বলে।

৪. ফেরেলের সূত্র (Ferrel’s Law) কী?

পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ু সোজাসুজি প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়। একেই ফেরেলের সূত্র বলে।

৫. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rainfall) কোথায় সবচেয়ে বেশি হয়?

নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রতিদিন বিকেলে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়, কারণ সেখানে জলভাগের বিস্তার বেশি এবং সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ায় বায়ুর উষ্ণতা ও আর্দ্রতা সারাবছর বেশি থাকে (একে 4 o’clock rain-ও বলা হয়)।

Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
Geography
ASK