🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

সমুদ্রস্রোত – ধারণা, কারণ ও শ্রেণিবিভাগ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

সমুদ্রস্রোত: ধারণা, কারণ ও শ্রেণিবিভাগ এর সম্পূর্ণ, সহজ ও পরীক্ষামুখী নোট  ও ক্যুইজ  দেওয়া হয়েছে যা তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে চূড়ান্তভাবে এগিয়ে দেবে। এই অংশে বারিমণ্ডল (Hydrosphere) কী, সমুদ্রস্রোত (Ocean Currents)সমুদ্রতরঙ্গের (Ocean Waves) মধ্যে মূল পার্থক্য এবং সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণগুলি  নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি উষ্ণ স্রোত, শীতল স্রোত, পৃষ্ঠ স্রোত এবং অন্তঃস্রোতের মতো সমুদ্রস্রোতের বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য দ্রুত রিভিশন ও কনসেপ্ট ক্লিয়ার করার জন্য এখনই সম্পূর্ণ নোটটি পড়ো ও ক্যুইজ খেলো।

বারিমণ্ডল এবং সমুদ্রস্রোতের ধারণা

তোমরা কি জানো, আমাদের পৃথিবীর মোট উপরিভাগের প্রায় ৭১ শতাংশই জলে ঢাকা? আর এই বিপুল জলরাশির প্রায় ৯৭.৫ শতাংশই হলো সমুদ্রের নোনা জল। এই সুবিশাল জলভাগকেই ভূগোলের ভাষায় বারিমণ্ডল (Hydrosphere) বলা হয়।

সমুদ্রের এই বিপুল জলরাশি কিন্তু পুকুর বা দিঘির জলের মতো স্থির থাকে না। সমুদ্রের জল প্রধানত দুভাবে নড়াচড়া করে। যখন সমুদ্রের জল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় অনুভূমিকভাবে (পাশাপাশি) নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পথে নদীস্রোতের মতো বয়ে যায়, তখন তাকে সমুদ্রস্রোত (Ocean Current) বলে। অন্যদিকে, সমুদ্রের জল যখন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় না গিয়ে কেবল নিজের জায়গাতেই ওপর-নিচে বা উল্লম্বভাবে ওঠানামা করে, তখন তাকে সমুদ্রতরঙ্গ (Ocean Wave) বলে।

সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ

সমুদ্রের জল এমনি এমনি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে যায় না। এর পেছনে বেশ কয়েকটি প্রাকৃতিক কারণ রয়েছে:
১. নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির সবচেয়ে প্রধান কারণ হলো পৃথিবীর ওপর দিয়ে বয়ে চলা নিয়ত বায়ু (যেমন— আয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু)। বাতাস যখন সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে বয়ে যায়, তখন সে তার সাথে সমুদ্রের ওপরের জলকেও টেনে নিয়ে যায়।
২. পৃথিবীর আবর্তন গতি: পৃথিবীর নিজের অক্ষের চারিদিকে ঘোরার কারণে (কোরিওলিস বল) সমুদ্রস্রোত সোজা পথে বইতে পারে না। ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী এটি উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
৩. উষ্ণতার তারতম্য: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর রোদ থাকায় সমুদ্রের জল গরম ও হালকা হয়ে যায়। এই হালকা জল সমুদ্রের ওপরের অংশ দিয়ে পৃষ্ঠ স্রোত রূপে মেরু অঞ্চলের দিকে বয়ে যায়। অন্যদিকে, মেরু অঞ্চলের জল বরফের মতো ঠান্ডা ও ভারী হওয়ায় তা সমুদ্রের গভীর দিয়ে অন্তঃস্রোত রূপে নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে।
৪. জলের লবণতা ও ঘনত্ব: সমুদ্রের জলে বেশি লবণ থাকলে সেই জল ভারী হয় এবং তা কম লবণযুক্ত হালকা জলের দিকে তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

সমুদ্রস্রোতের শ্রেণিবিভাগ

উষ্ণতা অনুযায়ী সমুদ্রস্রোতকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. উষ্ণ স্রোত (Warm Current): নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চল থেকে যে গরম ও হালকা স্রোত মেরু অঞ্চলের দিকে বয়ে যায়, তাকে উষ্ণ স্রোত বলে। এটি সাধারণত পৃষ্ঠ স্রোত রূপে প্রবাহিত হয়।
২. শীতল স্রোত (Cold Current): মেরু বা উচ্চ অক্ষাংশ অঞ্চল থেকে যে অত্যন্ত ঠান্ডা ও ভারী স্রোত নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে বয়ে আসে, তাকে শীতল স্রোত বলে। ভারী হওয়ার কারণে এটি সমুদ্রের অনেক নিচ দিয়ে বা অন্তঃস্রোত রূপে প্রবাহিত হয়।

বারিমণ্ডল এবং সমুদ্রস্রোতের ধারণা ক্যুইজ ও তথ্যমালা

নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ, নদীর মতো সমুদ্রের বুকেও কীভাবে নদী বয়ে চলেছে! চলো, এবার স্লাইডগুলো ভালো করে পড়ি এবং কুইজে অংশ নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই করে নিই।

Slow
সমুদ্রস্রোত – ধারণা, কারণ ও শ্রেণিবিভাগ তথ্যমালা

Total Slides: 7

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (3 votes)

Click on a star to rate:

Slow
Quiz Icon সমুদ্রস্রোত – ধারণা, কারণ ও শ্রেণিবিভাগ ক্যুইজ

Total Questions: 28 | Total Marks: 44


গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ:

বারিমণ্ডল অধ্যায়ের তিন পর্ব

Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
Geography
ASK