🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

বিষাক্ত বর্জ্য এবং পরিবেশের ওপর বর্জ্যের প্রভাব

বিষাক্ত বর্জ্য এবং পরিবেশের ওপর বর্জ্যের প্রভাব বিষয়ক সম্পূর্ণ, সহজ ও পরীক্ষামুখী নোট ও কুইজ প্রদান করা হয়েছে। এই অংশে বিষাক্ত বর্জ্য (Toxic Waste)-এর সংজ্ঞা এবং মানুষের শরীরে এদের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে পারদ, সিসা, ক্যাডমিয়াম ও আর্সেনিকের মতো ভারী ধাতুর প্রভাবে সৃষ্ট রোগসমূহ এবং জলাশয়ে ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) প্রক্রিয়াটি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে ।
বর্জ্যের কারণে কীভাবে বায়ু, জল ও মৃত্তিকা দূষিত হচ্ছে এবং তার ফলে জীববৈচিত্র্যের কী ক্ষতি হচ্ছে, তাও এখানে তুলে ধরা হয়েছে । মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও চিত্রভিত্তিক ব্যাখ্যাসহ এই গাইডটি দ্রুত রিভিশনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। Geography-এর এই অধ্যায়টি আয়ত্ত করতে এখনই সম্পূর্ণ তথ্যমালাটি পড় ও কুইজ খেলো ।

বিষাক্ত বর্জ্য এবং মানব স্বাস্থ্য

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, আমরা আগের পর্বে বর্জ্যের সাধারণ প্রকারভেদ সম্পর্কে জেনেছি। আজ আমরা জানব সেইসব বর্জ্য সম্পর্কে যারা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। যেসকল বর্জ্য জীবদেহে প্রবেশ করে স্বাভাবিক বিপাকীয় কাজে গোলযোগ সৃষ্টি করে বা প্রাণহানি ঘটায়, তাদের বিষাক্ত বর্জ্য বলে । এই বিষাক্ত বর্জ্যগুলো মূলত রাসায়নিক কারখানা, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বা বিভিন্ন খনি থেকে পরিবেশে মেশে ।

বিষাক্ত বর্জ্য ও সৃষ্ট রোগসমূহ

নিচে কয়েকটি বিষাক্ত ধাতব বর্জ্য এবং তাদের প্রভাবে সৃষ্ট মারাত্মক রোগগুলোর তালিকা দেওয়া হলো, যা তোমাদের পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

  • সিসা (Lead): এর প্রভাবে শিশুদের ডিসলেক্সিয়া রোগ হয়।
  • পারদ (Mercury): এর ফলে স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক রোগ মিনামাটা হয়।
  • ক্যাডমিয়াম (Cadmium): এর প্রভাবে হাড়ের ভয়ংকর যন্ত্রণাদায়ক রোগ ইটাই-ইটাই (বা আউচ-আউচ) হয়।
  • আর্সেনিক (Arsenic): আর্সেনিকযুক্ত জল পান করলে হাতের তালু ও পায়ের তলায় কালো ছোপ ছোপ দাগ বা ব্ল্যাকফুট রোগ হয়।
  • ফ্লুরাইড (Fluoride): এর প্রভাবে দাঁত ও হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগ ফ্লুরোসিস হয়।

পরিবেশের ওপর বর্জ্যের প্রভাব

বর্জ্য সঠিক জায়গায় না ফেলার কারণে আমাদের চারপাশের পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে উঠছে । এর প্রভাবে মূলত তিন ধরনের দূষণ দেখা যায়:

১. জল দূষণ ও ইউট্রোফিকেশন

নর্দমার নোংরা জল বা কৃষিকাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার যখন জলাশয়ে মেশে, তখন জলে পুষ্টির পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে জলাশয়ে কচুরিপানা ও শৈবালের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে, যাকে ইউট্রোফিকেশন বলে । এই কচুরিপানা জলের অক্সিজেন টেনে নেয়, ফলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়

২. বায়ু ও মৃত্তিকা দূষণ

কারখানার চিমনি থেকে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) বা নাইট্রোজেন অক্সাইড বৃষ্টির জলের সাথে মিশে অ্যাসিড বৃষ্টি ঘটায়, যা গাছপালা ও মাটির ক্ষতি করে । আবার পচনশীল বর্জ্য থেকে মিথেন (CH4) বা কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) নির্গত হয়ে বায়ুর দূষণ মাত্রা বাড়ায়।

বিষাক্ত বর্জ্য তথ্যমালা ও ক্যুইজ

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমরা এই দূষণ কমাতে পারি এবং জীবমণ্ডলকে সুস্থ রাখতে পারি। চলো, এবার নিচের স্লাইডগুলো ভালো করে পড়ি এবং কুইজে অংশ নিয়ে দেখি আমরা কতটা শিখতে পারলাম।

Slow
পরিবেশের ওপর বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কীয় তথ্যমালা

Total Slides: 7

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (1 votes)

Click on a star to rate:

Slow
Quiz Icon পরিবেশের ওপর বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে কুইজ

Total Questions: 28 | Total Marks: 40


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
Geography
ASK