🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহ: কারণ, প্রকৃতি ও বিস্তার ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্যুইজ

সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা: বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ অধ্যায়ের অন্তর্গত ১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহ বিষয়ের পরীক্ষা উপযোগী তথ্য ও ক্যুইজ প্রদান করা হয়েছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দীর্ঘ ১০০ বছরের অর্থনৈতিক শোষণ এবং বঞ্চনার বিরুদ্ধে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সেনা ও সাধারণ মানুষ যে ভয়ংকর বিদ্রোহ করেছিল, এই অংশে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই সিপাহি বিদ্রোহ বা মহাবিদ্রোহের কারণ, এর প্রকৃতি বা চরিত্র (এটি কি কেবল সিপাহি বিদ্রোহ নাকি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ?), এবং এই বিদ্রোহের প্রতি শিক্ষিত বাঙালি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল—তা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহের কারণ ও বিস্তার

পলাশির যুদ্ধের (১৭৫৭ খ্রি.) পর থেকে ইংরেজরা যেভাবে ভারতকে শোষণ করছিল, তাতে মানুষের মনে প্রবল ক্ষোভ জমা হয়েছিল। এই ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালে এনফিল্ড রাইফেল-এর টোটা। গুজব ছড়ায় যে এই নতুন রাইফেলের টোটার খোলস গোরু ও শুয়োরের চর্বি দিয়ে তৈরি, যা দাঁত দিয়ে কাটতে হতো। এর ফলে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের সিপাহিরা ধর্মচ্যুত হওয়ার ভয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুর সেনানিবাসে মঙ্গল পান্ডে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরে তাঁর ফাঁসি হয়। এরপর ১০ মে মিরাটে এবং ১১ মে দিল্লিতে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। সিপাহিরা মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ‘ভারতের সম্রাট’ বলে ঘোষণা করেন। কানপুরে নানাসাহেব ও তাঁতিয়া তোপি, ঝাঁসিতে রানি লক্ষ্মীবাঈ এবং বিহারে কুনওয়ার সিং এই বিদ্রোহে বীরত্বের সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

মহাবিদ্রোহের প্রকৃতি বা চরিত্র

এই বিদ্রোহটি আসলে কেমন ছিল, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে প্রবল মতপার্থক্য রয়েছে:

  • সিপাহি বা সামন্ত বিদ্রোহ: স্যার জন লরেন্স, চার্লস রেকস এবং অক্ষয়কুমার দত্ত, হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের মতো ভারতীয়রা একে কেবল ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ বলেছেন। আবার ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার একে সামন্তশ্রেণির বিদ্রোহ বলেছেন।
  • জাতীয় বিদ্রোহ: ডিজরেলি এবং সমাজতন্ত্রবিদ কার্ল মার্কস একে ‘জাতীয় বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
  • প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ: বিনায়ক দামোদর সাভারকার (ভি. ডি. সাভারকার) এবং অধ্যাপক সুশোভন সরকার ১৮৫৭-র বিদ্রোহকে ‘ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ’ বলে সম্মান জানিয়েছেন। ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার এর বিরোধিতা করে বলেছেন, এটি “প্রথম নয়, জাতীয় নয় এবং স্বাধীনতা সংগ্রামও নয়।”

শিক্ষিত বাঙালি সমাজের ভূমিকা

তোমরা হয়তো অবাক হবে জেনে যে, ১৮৫৭ সালের এই বিশাল বিদ্রোহকে সে যুগের শিক্ষিত বাঙালি সমাজ (যেমন- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়) সমর্থন করেনি! এর কারণ ছিল, তাঁরা বিশ্বাস করতেন ব্রিটিশ শাসন ভারতের জন্য কল্যাণকর। তাঁরা ভয় পেয়েছিলেন যে, ব্রিটিশরা চলে গেলে ভারতে পুনরায় পুরোনো সামন্ততান্ত্রিক ও পিছিয়ে পড়া শাসন ব্যবস্থা ফিরে আসবে এবং দেশে চরম অরাজকতা তৈরি হবে।

মহাবিদ্রোহের কারণ, প্রকৃতি ও শিক্ষিত সমাজের ভূমিকা তথ্যমালা ও ক্যুইজ

নিচের তথ্যমালা বা নলেজ স্লাইডগুলো ভালো করে পড়ো। এখানে তোমাদের জন্য ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ শব্দ (যেমন- এনফিল্ড রাইফেল, প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ) এবং নেতাদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে বা শুনলে তোমার সম্যক ধারনা হয়ে যাবে এবং পরীক্ষার পরিপেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্যুইজ সম্পর্কে: মহাবিদ্রোহের কারণ, বিস্তার, প্রকৃতি ও শিক্ষিত সমাজের ভূমিকা সংক্রান্ত এই ক্যুইজটি খেলে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো।

Slow
১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহ: কারণ, প্রকৃতি ও বিস্তার তথ্যমালা

Total Slides: 6

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (2 votes)

Click on a star to rate:

Slow
Quiz Icon ১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহ: কারণ, প্রকৃতি ও বিস্তার বিষয়ক ক্যুইজ

Total Questions: 24 | Total Marks: 36


Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
History
ASK