🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

বিশ শতকের আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা | দশম শ্রেণি ইতিহাস ক্যুইজ

মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতির আজকের পর্বে আমরা সপ্তম অধ্যায় ‘বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন’-এর প্রথম অংশ নিয়ে আলোচনা করব। আগেকার দিনে মনে করা হতো যে, দেশের রাজনীতি বা স্বাধীনতা সংগ্রাম কেবল পুরুষদের কাজ। কিন্তু বিশ শতকে বঙ্গভঙ্গ, অসহযোগ, আইন অমান্য ও ভারত ছাড়ো আন্দোলনে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের নারীরাই বাড়ির চার দেওয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সরলাদেবী চৌধুরানি, লীলা নাগ ও দীপালি সংঘ এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী বাহিনীর অসামান্য অবদান সম্পর্কে জানব।

বঙ্গভঙ্গ থেকে অসহযোগ আন্দোলনে নারী সমাজ

১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বাংলা ভাগ করলে যে স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়, তাতে নারীদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় দেশি জিনিসের ব্যবহার বাড়াতে এবং বিদেশি জিনিস বর্জন করতে সরলাদেবী চৌধুরানি কলকাতায় ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি যুবসমাজের মধ্যে সাহস ও দেশপ্রেম জাগানোর জন্য ‘বীরাষ্টমী ব্রত’ ও ‘প্রতাপাদিত্য উৎসব’ চালু করেছিলেন।

পরবর্তীতে ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের স্ত্রী বাসন্তী দেবী এবং বোন ঊর্মিলা দেবী রাস্তায় নেমে বিদেশি কাপড় পুড়িয়েছিলেন এবং পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ঊর্মিলা দেবী এই সময় ‘নারী কর্ম মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

লীলা নাগ ও দীপালি সংঘ

নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা ও বিপ্লবের আগুন জ্বালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নাম হলো লীলা নাগ (রায়)। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।
১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ঢাকায় ‘দীপালি সংঘ’ প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংঘের উদ্দেশ্য ছিল নারীদের শিক্ষিত করা এবং তাদের আত্মরক্ষার জন্য লাঠিখেলা ও তলোয়ার চালানো শেখানো। দীপালি সংঘের মেয়েরাই পরবর্তীকালে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল। লীলা নাগ মেয়েদের মুখপত্র হিসেবে ‘জয়শ্রী’ নামে একটি পত্রিকাও প্রকাশ করতেন।

ভারত ছাড়ো আন্দোলনআজাদ হিন্দ ফৌজ

১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। বাংলার মেদিনীপুরে ৭৩ বছর বয়সী মাতঙ্গিনী হাজরা (গান্ধিবুড়ি) তেরঙা পতাকা হাতে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।

অন্যদিকে, ভারতের বাইরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যখন ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ’ গঠন করেন, তখন তিনি নারীদের নিয়ে একটি সম্পূর্ণ আলাদা সশস্ত্র বাহিনী তৈরি করেছিলেন। এই বাহিনীর নাম ছিল ঝাঁসির রানি রেজিমেন্ট। এই নারী বাহিনীর প্রধান ছিলেন ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী সায়গল (স্বামীনাথন)। এই বীরাঙ্গনা নারীরা রাইফেল হাতে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্রিটিশদের মোকাবিলা করেছিলেন।

নারী আন্দোলনের ভূমিকা তথ্যমালা ও ক্যুইজ

নিচের তথ্যমালা বা নলেজ স্লাইডগুলো ভালো করে পড়ো। এখানে তোমাদের জন্য ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নারী সংগঠন (যেমন- দীপালি সংঘ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার) এবং বীরাঙ্গনাদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে বা শুনলে তোমার সম্যক ধারনা হয়ে যাবে এবং পরীক্ষার পরিপেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক্যুইজ সম্পর্কে: বিশ শতকের নারী আন্দোলন, লীলা নাগ এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী বাহিনী সংক্রান্ত এই ক্যুইজটি খেলে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো।

Slow
বিশ শতকের আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কিত তথ্যমালা

Total Slides: 5

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (1 votes)

Click on a star to rate:

Slow
Quiz Icon বিশ শতকের আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কিত কুইজ

Total Questions: 28 | Total Marks: 40


Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
History
ASK