Install our QSH India App. Less than 2 MB.

ছাত্র আন্দোলন ও সশস্ত্র বিপ্লব | দশম শ্রেণির ইতিহাস ক্যুইজ

মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতির আজকের পর্বে আমরা সপ্তম অধ্যায় ‘বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন’-এর দ্বিতীয় অংশ নিয়ে আলোচনা করব। স্বাধীনতা সংগ্রামে যেমন নেতারা ছিলেন, তেমনি ছিলেন বাংলার অকুতোভয় ছাত্র-ছাত্রীরা, যাঁরা নিজেদের কেরিয়ার বা জীবনের মায়া না করে দেশের জন্য হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছিলেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি থেকে শুরু করে মাস্টারদা সূর্য সেন, বিনয়-বাদল-দীনেশ এবং বীণা দাসের রোমাঞ্চকর সশস্ত্র বিপ্লবী ইতিহাস খুব সহজভাবে জানব।

ছাত্র আন্দোলন ও অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন শুরু হলে ছাত্ররা তাতে বিপুল সংখ্যায় যোগ দেয়। ব্রিটিশ সরকার এতে ভয় পেয়ে ‘কার্লাইল সার্কুলার’ জারি করে ছাত্রদের স্কুল-কলেজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
এর প্রতিবাদে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে শচীন্দ্রপ্রসাদ বসু ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ করতে ‘অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে আজাদ হিন্দ ফৌজের ক্যাপ্টেন রশিদ আলির মুক্তির দাবিতে ছাত্ররা কলকাতায় এক বিশাল আন্দোলন গড়ে তোলে, যা রশিদ আলি দিবস’ (১২ ফেব্রুয়ারি) নামে পরিচিত।

মাস্টারদা সূর্য সেনচট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন

বিশ শতকে বাংলার সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেন সূর্য সেন, যাঁকে সবাই ভালোবেসে ‘মাস্টারদা’ বলত। তিনি তাঁর ছাত্রদের নিয়ে ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি (Indian Republican Army) গঠন করেছিলেন।

১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল মাস্টারদার নেতৃত্বে একদল তরুণ বিপ্লবী ব্রিটিশদের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে এবং সেখানে স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করে। তাঁর দলের অন্যতম সদস্য প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে পাহাড়তলি ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করেন এবং ধরা পড়ার আগে দেশের জন্য বিষ খেয়ে আত্মাহুতি দেন।

অলিন্দ যুদ্ধ এবং বীণা দাসের অসীম সাহসিকতা

বাংলার ইতিহাসে ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৮ ডিসেম্বর এক লাল অক্ষরে লেখা দিন। ওই দিন তিন বাঙালি তরুণ বিপ্লবী— বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত এবং দীনেশ গুপ্ত (বিনয়-বাদল-দীনেশ) ইউরোপীয় পোশাকে সেজে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে (মহাকরণ) প্রবেশ করেন এবং অত্যাচারী ব্রিটিশ কারা-পরিদর্শক কর্নেল সিম্পসনকে গুলি করে হত্যা করেন। পুলিশের সাথে তাঁদের এই ভয়ংকর বন্দুকযুদ্ধ ইতিহাসে ‘অলিন্দ যুদ্ধ’ (Corridor Warfare) নামে পরিচিত।

ছাত্রীদের সাহসিকতাও কোনো অংশে কম ছিল না। ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নিজের ডিগ্রি নেওয়ার সময় বিপ্লবী বীণা দাস বাংলার অত্যাচারী ব্রিটিশ গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকসনকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

ছাত্র ও সশস্ত্র আন্দোলন তথ্যমালা ও ক্যুইজ

নিচের তথ্যমালা বা নলেজ স্লাইডগুলো ভালো করে পড়ো। এখানে তোমাদের জন্য ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা (যেমন- অলিন্দ যুদ্ধ, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন) এবং বিপ্লবীদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে বা শুনলে তোমার সম্যক ধারনা হয়ে যাবে এবং পরীক্ষার পরিপেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক্যুইজ সম্পর্কে: ছাত্র আন্দোলন, সশস্ত্র বিপ্লব এবং মাস্টারদা সূর্য সেনের অবদান সংক্রান্ত এই ক্যুইজটি খেলে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো।

Slow
ছাত্র আন্দোলন ও সশস্ত্র বিপ্লব বিষয়ক তথ্যমালা

Total Slides: 5

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (1 votes)

Click on a star to rate:

Slow
ছাত্র আন্দোলন ও সশস্ত্র বিপ্লব বিষয়ক কুইজ

Total Questions: 28 | Total Marks: 40


গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ:

সপ্তম অধ্যায়ের তিন পর্ব

Share this:

Leave a Comment

×
History
ASK