Install our QSH India App. Less than 2 MB.

বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন

বিশ শতকের শুরুতে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে অসহযোগ, আইন অমান্য এবং ভারত ছাড়ো আন্দোলনে কেবল সমাজের শিক্ষিত পুরুষরাই নয়, বরং বাড়ির অন্দরমহল থেকে বেরিয়ে নারীরাও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল। পাশাপাশি, স্কুল-কলেজ ছেড়ে ছাত্র সমাজও আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং অনেকেই সশস্ত্র বিপ্লবী পথ বেছে নেয়। এই অধ্যায়ে আমরা লীলা নাগ, সূর্য সেন, বিনয়-বাদল-দীনেশ থেকে শুরু করে সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও নমঃশূদ্রদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম নিয়ে ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

সূচিপত্র বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন

সপ্তম অধ্যায় একনজরে

নারী সমাজ 👩🏽

সরলাদেবী চৌধুরানি থেকে শুরু করে মাতঙ্গিনী হাজরা এবং ঢাকাতে লীলা নাগের ‘দীপালি সংঘ’ নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা ও বিপ্লবের আগুন জ্বালিয়েছিল।

ছাত্র আন্দোলন 🎓

কার্লাইল সার্কুলারের বিরুদ্ধে শচীন্দ্রপ্রসাদ বসুর ‘অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি’ গঠন থেকে শুরু করে রশিদ আলি দিবস পালনে ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান ইতিহাস তৈরি করে।

সশস্ত্র বিপ্লবী সংগ্রাম 💣

মাস্টারদা সূর্য সেনের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, বিনয়-বাদল-দীনেশের অলিন্দ যুদ্ধ এবং প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও বীণা দাসের অসীম সাহসিকতা।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠী 🌾

সমাজে অবহেলিত দলিত শ্রেণির অধিকার আদায়ে ড. বি. আর. আম্বেদকরের সংগ্রাম এবং বাংলায় শ্রীহরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নেতৃত্বে নমঃশূদ্র আন্দোলন

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. ‘অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি’ কে এবং কেন প্রতিষ্ঠা করেন?

বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় ছাত্রদের আন্দোলন থেকে দূরে রাখার জন্য ব্রিটিশ সরকার ‘কার্লাইল সার্কুলার’ জারি করে। এর প্রতিবাদে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে শচীন্দ্রপ্রসাদ বসু ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ করতে ‘অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন।

২. ‘দীপালি সংঘ’ কোথায় এবং কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

নারীসমাজের মধ্যে শিক্ষা ও রাজনৈতিক চেতনার প্রসার ঘটানোর জন্য ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে লীলা নাগ (রায়)ঢাকায় ‘দীপালি সংঘ’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

৩. বিনয়-বাদল-দীনেশ ইতিহাসে স্মরণীয় কেন?

১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৮ ডিসেম্বর তিন অকুতোভয় বাঙালি তরুণ বিপ্লবী— বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত এবং দীনেশ গুপ্তকলকাতাররাইটার্স বিল্ডিংয়ে (মহাকরণ) আক্রমণ করে অত্যাচারী ব্রিটিশ কারা-পরিদর্শক কর্নেল সিম্পসনকে হত্যা করেন। এই ঘটনা ‘অলিন্দ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।

৪. বীণা দাস কেন বিখ্যাত?

বিপ্লবী বীণা দাস ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বাংলার অত্যাচারী ব্রিটিশ গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকসনকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন, যার জন্য তিনি ইতিহাসে স্মরণীয়।

৫. আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী বাহিনীর নাম কী ছিল এবং এর নেতৃত্ব কে দেন?

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী বাহিনীর নাম ছিল ‘ঝাঁসির রানি রেজিমেন্ট’। এই নারী বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী সায়গল (স্বামীনাথন)।

Share this:

Leave a Comment

×
History
ASK