🎓 Log in to save your performance and get free courses
My Course My Report Log In

Install the QSH India App

⭐ Thousands of students installed

রেখায় জাতীয়তাবোধের বিকাশ: ভারতমাতা ও ব্যঙ্গচিত্র | দশম শ্রেণি ক্যুইজ

মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতির আজকের পর্বে আমরা চতুর্থ অধ্যায় ‘সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা: বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ’-এর সর্বশেষ অংশ নিয়ে আলোচনা করব। আগের পর্বে আমরা দেখেছি কীভাবে সাহিত্যের মাধ্যমে দেশপ্রেম ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু যাদের অক্ষরজ্ঞান ছিল না, তাদের কাছে দেশের প্রতি ভালোবাসা কীভাবে পৌঁছাল? এর উত্তর হলো— ছবি বা চিত্রশিল্প। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানব আধুনিক ভারতীয় চিত্রকলার জনক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ভারতমাতা’ এবং তাঁর দাদা গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন ব্যঙ্গচিত্র (Cartoons) কীভাবে পরাধীন ভারতের ঘুমন্ত সমাজকে জাগিয়ে তুলেছিল

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ভারতমাতা’

১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন যখন বাংলা ভাগের (বঙ্গভঙ্গ) ষড়যন্ত্র করেন, তখন গোটা বাংলা ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। সেই স্বদেশি আন্দোলনের সময় অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি অসাধারণ ছবি আঁকেন, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন ‘বঙ্গমাতা’ । পরবর্তীকালে ভগিনী নিবেদিতা এই ছবির নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘ভারতমাতা’

এই ছবিতে ভারতমাতাকে একজন বৈষ্ণব সন্ন্যাসিনীর রূপে দেখানো হয়েছে, যাঁর চারটি হাত । এই চার হাতে রয়েছে— বেদ, ধানের শিষ, জপের মালা এবং শ্বেতবস্ত্র । এগুলো হলো অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা ও দীক্ষার প্রতীক। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতমাতার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না । অর্থাৎ, এই ছবি উগ্রতা নয়, বরং শান্তি ও অহিংসার মাধ্যমে দেশের সেবা করার বার্তা দিয়েছিল। এই ছবিটি স্বদেশি আন্দোলনের সময় বিপ্লবীদের কাছে এক পবিত্র প্রতীকে পরিণত হয়েছিল ।

গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যঙ্গচিত্র (Cartoons)

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন ভারতমাতার মাধ্যমে দেশপ্রেম জাগাচ্ছিলেন, তখন তাঁর দাদা গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর তুলিকে হাতিয়ার করেছিলেন সমাজের ভণ্ডামি দূর করার জন্য। তিনি ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে ‘ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ওরিয়েন্টাল আর্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন ।

তৎকালীন বঙ্গীয় সমাজে একশ্রেণির বাঙালি নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে অন্ধের মতো ব্রিটিশদের অনুকরণ করত, যাদের ‘বাবু’ বলা হতো । গগনেন্দ্রনাথ তাঁর ‘অদ্ভুত লোক’ (১৯১৫), ‘বিরূপ বজ্র’ (১৯১৭) এবং ‘নয়া হুল্লোড়’ (১৯২১) নামক ব্যঙ্গচিত্রের বইগুলোতে এই বাবু কালচারকে তীব্র ব্যঙ্গ করেছেন ।
তাঁর ‘খল ব্রাহ্মণ’ ছবিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে কিছু পুরোহিত ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে ঠকাচ্ছে । এছাড়া ‘যাঁতাসুর’ বা ‘প্রচণ্ড মমতা’ ছবিতে তিনি ব্রিটিশদের নিষ্ঠুর অত্যাচারের রূপ তুলে ধরেছিলেন । তাঁর এই কার্টুনগুলো সাধারণ মানুষের মনে ব্রিটিশ বিরোধী এবং সমাজ সংস্কারের ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিল ।

রেখায় জাতীয়তাবোধের বিকাশ তথ্যমালা ও ক্যুইজ

নিচের তথ্যমালা বা নলেজ স্লাইডগুলো ভালো করে পড়ো। এখানে তোমাদের জন্য ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ চিত্রশিল্প (যেমন- ভারতমাতা, অদ্ভুত লোক) এবং শিল্পীদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে বা শুনলে তোমার সম্যক ধারনা হয়ে যাবে এবং পরীক্ষার পরিপেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক্যুইজ সম্পর্কে: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান সংক্রান্ত এই ক্যুইজটি খেলে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো।

Slow
রেখায় জাতীয়তাবোধের বিকাশ: ভারতমাতা ও ব্যঙ্গচিত্র তথ্যমালা

Total Slides: 5

From: To:

Rate this Quiz

Average Rating: 5 / 5 (1 votes)

Click on a star to rate:

Slow
Quiz Icon রেখায় জাতীয়তাবোধের বিকাশ: ভারতমাতা ও ব্যঙ্গচিত্র কুইজ

Total Questions: 28 | Total Marks: 40


গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ:

সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা অধ্যায়ের চার পর্ব

Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

×
History
ASK